বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অসমতা, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ বিপর্যয় মোকাবিলা করা এবং শান্তি ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সামাজিক জীবনে টেকসই ভবিষ্যত গঠনের লক্ষ্যে ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে গৃহীত হয় টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি)। টেকসই ভবিষ্যত গঠনে এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিকল্প নেই। তাই এসডিজি বিশ্বব্যাপী টেকসই ভবিষ্যত অর্জনের ব্লু প্রিন্ট নামে পরিচিত। যে ব্লুপ্রিন্ট বিশে^র দেশসমূহের কাছে মোট ১৭টি অভিষ্ট সমন্বিত একটি দলিল। ২০৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে গৃহীত অভিষ্টগুলো অর্জনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। যা ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে কার্যকর হয়। অত্যন্ত গর্বের বিষয় হলো, মোট ১৭টি অভিষ্টের মধ্যে ১৫টি বাংলাদেশের সুপারিশকৃত প্রস্তাবের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। সঙ্গত কারণেই এসডিজি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশও বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে এসডিজি’র সে গুরুত্বের প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হয়েছে। ক্ষেত্র অনুযায়ী, দেশের এ পর্যন্ত অর্জনগুলো পর্যালোচনা করলে তা সহজেই প্রতিয়মান হয়। দেশে ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে দারিদ্র্যের...
আশঙ্কার যথার্থতা অবশেষে প্রকট আকারে সত্যি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ মহল থেকে ধারণা করা হচ্ছিল, কোভিড-১৯ থেকে সেরে উঠাদের দুর্বল রোগ প্রতিরোধ সিস্টেমের উপর আক্রমণ করে বসতে পারে বিভিন্ন মারাত্মক ক্ষতিকারক অণুজীব। আমাদের পাশ^বর্তী দেশ ভারতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকোরমাইকোসিস নামক এমনই একটি ছত্রাক ঘটিত রোগ ইতোমধ্যে ব্যাপকতা ছড়াতে শুরু করেছে। ফলে আমাদের দেশের অনেক মানুষের মাঝে এ নিয়ে এক ধরনের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। মিউকরমাইসিটিস দলভুক্ত কতগুলো ছত্রাক এই রোগটি ছড়াতে সক্ষম। এটি বিরল কিন্তু অতি সাংঘাতিক একটি রোগ। উক্ত দলভুক্ত ছত্রাকের স্পোরের সংস্পর্শে এলে রোগটি ছড়াতে পারে। প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানে এর স্পোরগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। প্রধানত মাটি, বায়ু, পাতা, পঁচা আবর্জনা, ধ্বংস প্রাপ্ত ব্যবহার্য জিনিসপত্র, কমপোস্ট, প্রাণীর মল, আবর্জনার স্তুপ, আর্দ্রতার অনুকূল পরিবেশ ইত্যাদিতে এর স্পোর পাওয়া যায়। ফলে সহজেই এর সংস্পর্শ ঘটার সম্ভাবনা থাকে। তবে এটি মানুষ থেকে মানুষে বা অন্য প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ায় না। কোভিড সেরে উঠাদের এখানেই চিন্তার বিষয় রয়েছে। কারণ কোভিড আক্রান্তদের চিকিৎসায় ডেক্সামিথাস...