Skip to main content

অটিজমের সারসংক্ষেপ এবং বাংলাদেশ

‘কাউকেইপিছনে ফেলেনারাখা’Ñএমনএকটিপ্রতিশ্রæতিনিয়ে ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে প্রণীতহয় জাতিসংঘের উচ্চাভিলাষী ও সার্বজনীন চ্যালেঞ্জ টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) যা ২০৩০ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ অর্জন করতে এর সদস্য দেশ গুলো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


উক্ত প্রতিশ্রæতিরআলোকেএসডিজিঅর্জনকরতেহলেএকটিঅন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজগঠনেরবিকল্প নেই। আর এ ধরনেরসমাজব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য প্রয়োজনসমাজেরপ্রতিটিমানুষেরসমানঅংশগ্রহণএবংকার্যকরসংশ্লিষ্টতা। কিন্তু বিশ^ বিবেকের এ ধারণার পাদবিন্দুকে দৃশ্যপটেএনেনাড়িয়ে তোলেÑঅটিজমেরশিকারবিশে^রলক্ষলক্ষমানুষ। যারা ২০০৮ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে ছিলমানব সম্ভাবনারঅপচয়হিসেবেযাকিনামানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনবলেবিবেচিত; যদিওসাইকিয়াট্রিস্টি ইউজেনবিøউলার ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দেসর্বপ্রথমঅটিজমশব্দটিব্যবহারকরেন (কিছুকালপরেহ্যানসঅ্যাসপারগার ও লিওক্যানারঅটিজম স্পেকট্রামডিসঅর্ডারবাএএসডি’রধারণা দেন)। দেখাযায়Ñঅটিজমের সাথে পরিচিতহওয়ার পর প্রায় এক শতাব্দীবিশে^রঅধিকাংশসমাজই এই আক্রান্তমানুষগুলোকেএড়িয়েচলেছে। ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে ২ এপ্রিলকেবিশ^ অটিজমসচেতনতাদিবস ঘোষণাকরার পর বিশ^ব্যাপীএরধারণাপ্রসারিতহয়এবংএসডিজিপ্রণীত হবার পরহঠাৎকরেইঅটিজমনিয়েব্যাপক তোড়জোড়লক্ষ্য করাযায়। যারাবছরের পর বছরঅবহেলিতছিলহঠাৎকরেতাদের প্রতিবিশ^ বিবেকেরকার্য-পরিধিঅটিজমসম্পর্কে আগ্রহেরজন্ম দেয়; যেমনÑঅটিজমকী, এরজন্য কীকরণীয়এবংএসডিজিবাস্তবায়নে কেন অটিজম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ইত্যাদি ? অটিজমবাআত্মসংবৃতিহল এক ধরনের স্পেকট্রামডিসঅর্ডার। আর স্পেকট্রামডিসঅর্ডারহল এক ধরনেরমানসিকজটিলতাযার সাথে বিভিন্নধরনেরমানসিকসমস্যা একত্রে যুক্ত হতেপারে। তাহলেসমস্যাটিরসমন্বিতরূপটিহলÑঅটিজম স্পেকট্রামডিসঅর্ডার। এটিএকটিনিউরোডেভেপমেন্টালডিসঅর্ডারবাজটিল ¯œায়ুবিকবিকাশসংক্রান্তসমস্যা। এ সমস্যায়আক্রান্তঅধিকাংশশিশুর ক্ষেত্রেএরলক্ষণগুলোজীবনেরপ্রথমকয়েকমাসেরমধ্যেইলক্ষ্য করাযায়আরঅন্যদের ক্ষেত্রে ২ বছরবাতারপরেলক্ষণপ্রকাশপায়। অটিজম স্পেকট্রামডিসঅর্ডার (এএসডি) আক্রান্তশিশুকেঅটিস্টিকশিশুবলাহয়। অটিস্টিকশিশুরউল্লেখযোগ্য লক্ষণগুলোহলÑ  এক বছরবয়সেনামধরেডাকলেসাড়াপ্রদানকরেনা যেখানে স্বাভাবিকশিশুনিজেরনামশুনলেবুঝতেপারে, দেরিকরেকথাবলে, কারও সাথে মিশতেচায়না, অন্যের চোখেরদিকে সোজাসুজিতাকাতেপারেনা, মনোযোগেরঅভাব দেখাযায়, অন্যেরঅনুভূতিবুঝতেপারেনা, নিজস্ব অনুভূতিকারওকাছেপ্রকাশকরেনা, একই কথাবারবারবলে, হঠাৎমনেরভাবেরপরিবর্তনহয়, প্রশ্নের অস্বাভাবিকউত্তর দেয়, অস্বাভাবিকবিষয়ে বেশিআগ্রহ, ছোটখাটোপরিবর্তনপছন্দ করেনা, শরীর দোলায়, গন্ধ ও স্বাদেরপ্রতি অস্বাভাবিকপ্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে, ইশারা-ইঙ্গিতে কথাবলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধকরেইত্যাদি। এএসডি’রসঠিককারণজানাযায়নিকিন্তু জেনেটিকবাবংশগতকারণেহতেপারেবলেঅনেকেরধারণা। সে অনুযায়ীমানবদেহে ক্রোমোজোম ৭ এরঅনুপস্থিতিকেকারণহিসেবেধরাহয়। তবেবংশগতধারণাটিসম্পূর্ণভাবেঠিকনয়কারণপিতা-মাতাসম্পূর্ণ সুস্থ হলেওঅটিস্টিকশিশুরজন্ম হতেপারে। আবারবলাহয়পরিবেশগতকারণেওশিশুঅটিজমেভুগতেপারে। যেমন- জন্মেরসময় ¯œায়ুতন্ত্রে আঘাতলাগা, গর্ভকালীনসময়েবিশেষকিছুওষুধ সেবনইত্যাদি। অটিজমেকরণীয়: প্রথমত, প্রতিরোধেরপ্রতি গুরুত্বারোপকরাপ্রয়োজনযাতেশিশুঅটিজমেআক্রান্তনাহয়; যেমনÑ বেশিবয়সেবাচ্চানা নেওয়া, বাচ্চা নেওয়ারআগেমাকেপ্রয়োজনীয়ভ্যাকসিনদিতেহবে, মায়েরধূমপান-মদ্যপানেরঅভ্যাস থাকলেতা পূর্বেইপরিত্যাগকরতেহবে, গর্ভাবস্থায়ভারীকাজকর্ম পরিহারকরতেহবে, পরোক্ষধূমপায়ীহওয়া থেকে বিরত থাকতেহবে, মাকেগর্ভাবস্থায়চিকিৎসকেরপরামর্শ ব্যতীতওষুধখাওয়ানোযাবেনা, বাচ্চাকেঅবশ্যইমায়েরবুকের দুধখাওয়াতেহবে। দ্বিতীয়ত, অটিজমেআক্রান্তশিশুর দীর্ঘস্থায়ীচিকিৎসাএবংতারপ্রতিসহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব এই সমস্যাটিকেনিয়ন্ত্রণে রাখতেপারে। এছাড়াআক্রান্তশিশুরপ্রাত্যহিকজীবনেরকাজকর্ম শেখানোরজন্য অকুপেশনাল থেরাপি, সামাজিকসম্পর্ক গড়েতুলতে স্পীচ থেরাপি, মানসিকবিকাশঘটাতেঅ্যাপ্লাইডবিহেভিয়ারএনালাইসিস/আর্লি ইন্টেনসিভবিহেভিওরালইন্টারভেনশন, নিজেরনিয়ন্ত্রণনিজে নেয়া শেখানোরজন্য ভার্বালবিহেভিয়ারইন্টারভেনশনচিকিৎসাপদ্ধতিফলপ্রসূভূমিকাপালনকরে। যেহেতুসমাজেরঅবহেলিতঅটিস্টিকমানুষেরজন্য চিকিৎসাপদ্ধতিরয়েছেএবংএসবসমস্যায়আক্রান্তমানুষেরসংখ্যা নেহাত কম নয়তাইএসডিজি’রচ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দৃশ্যপটেআসতেবাধ্য হয়েছে এসকলমানবেরবাস্তবজীবনধারা।পরিসংখ্যানঅনুযায়ী দেখাযায়Ñবিশে^ প্রতি এক হাজারশিশুরমধ্যে চার থেকে পাঁচজনঅটিজমেআক্রান্ত। ইনস্টিটিউটঅব পেডিয়াট্রিকনিউরোডিসঅর্ডারঅ্যান্ডঅটিজম (ইপনা)-এরজরিপঅনুযায়ীএসডিজি’র ১৭ টিঅভিষ্ট্যেরমধ্যে ১৫ টিরপ্রস্তাবকারীবাংলাদেশে ১৬ থেকে ৩০ মাসবয়সী ১.৭ শতাংশশিশুঅটিজমেআক্রান্তঅর্থাৎপ্রতিহাজারে ১৭ জন। সুতরাংসহজেঅনুমেয়যোগ্য১৬৪ মিলিয়নজনসংখ্যারবাংলাদেশে এ পরিসংখ্যানউদ্বেগজনক। এ অনুস্বীকার্য যে,বিগতসময়েরধারাবাহিকউন্নয়নেরকারণেঅন্যান্য দেশেরমতবাংলাদেশও ২০৩০ খ্রিস্টাব্দেরমধ্যে এসডিজিবাস্তবায়নে অগ্রগণ্য দেশসমূহেরতালিকায় স্থানলাভের দাবিদার। তাইএসডিজি’রঅভিষ্টবাস্তবেরূপায়নেরজন্য বাংলাদেশওভালভাবেনজরেএনেছেসমাজেরঅটিস্টিকমানুষেরবিশেষচাহিদা।সমাজে এসকলঅবহেলিতমানুষ যে বোঝানয়, এদেরওবিশেষ ক্ষেত্রে দক্ষতারয়েছে সে দিকগুলোকে গুরুত্ব দিয়েসমাজেসচেতনতাবৃদ্ধিরলক্ষ্যে বাংলাদেশও ২০০৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২ এপ্রিলকে‘অটিজমসচেতনতাদিবস’হিসেবেপালনকরেআসছে।শিক্ষা ক্ষেত্রেসমানঅধিকারপ্রতিষ্ঠারলক্ষ্যে সরকারি- বেসরকারি উদ্যোগে দেশেরবিভিন্ন স্থানেবিশেষায়িত বিদ্যালয় যেমন- বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়, ইনক্লুসিভ বিদ্যালয়, অটিস্টিক বিদ্যালয়প্রতিষ্ঠাকরাহয়েছে।এসবকর্মকান্ডেজড়িত বেসরকারিপ্রতিষ্ঠানকেপৃষ্ঠপোষকতা দানএবংসহায়তাপ্রদানকরারজন্য সরকার‘প্রতিবন্ধীতাসম্পর্কিতসমন্বিতবিশেষশিক্ষা নীতিমালা-২০০৯’প্রণয়নকরেছে।আক্রান্তদের চিকিৎসাসহযাবতীয়অধিকারেরসুরক্ষাপ্রদানেরজন্য২০১৩ খ্রিস্টাব্দে‘ডিজএবিলিটিওয়েলফেয়ারঅ্যাক্ট ও দ্য ন্যাশনালনিউরো ডেভেলপমেন্টালডিজঅর্ডারপ্রটেকশনট্রাস্ট অ্যাক্ট’প্রণীতহয়।সুরক্ষাট্রাস্টি বোর্ড গঠনকরাহয়েছে।যারফলেপর্যায়ক্রমে দেশের জেলা ও উপজেলাপর্যায়েরহাসপাতালেঅটিজমআক্রান্তদের শনাক্ত করেকাউন্সেলিং ও চিকিৎসারব্যবস্থা করাহচ্ছে।সর্বশেষ ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে দেশেরসকলসরকারিঅফিস সমূহে অটিজমসচেনতাদিবসের অংশ হিসেবেতিনদিনব্যাপীনীলবাতি প্রজ্জ্বলন করাহয়েছে।বর্তমানেঅটিজমওয়েলফেয়ারফাউন্ডেশন, তরিফাউন্ডেশন, সূচনাফাউন্ডেশনসহ বেশকিছুপ্রতিষ্ঠানঅটিস্টিকশিশুদেরনিয়েকাজকরেযাচ্ছে। এছাড়াঅটিস্টিকশিশুদের দৈনন্দিন জীবনেসার্বক্ষণিকসহায়তাপ্রদানকরারজন্য ‘ অটিজমবার্তা’নামেএকটিঅ্যাপচালুরয়েছে।আজকে যে শিশুপৃথিবীরআলোয়এসেছেযেহেতুতারজন্য একটিসাজানোবাগান দরকারসুতরাংবলাযায়Ñএসডিজি’রপ্রতিশ্রæতিমাথায় রেখে সে লক্ষ্যেইকাজকরছেসরকার।কারণআজকেরশিশুরহাতধরেইআগামীতেরচিতহবেউন্নতবাংলাদেশেরমহাকাব্যÑ‘সোনারবাংলা’।



Comments

Popular posts from this blog

নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের পদক্ষেপ, অর্জন এবং গ্রামাঞ্চলে করণীয়

নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের মাতৃভূমি আজকের বাংলাদেশ বর্তমান বৈশি^ক প্রেক্ষাপটে নারীর ক্ষমতায়নে এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত। নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূর করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় নারীকে সম্পৃক্ত করে সমাজে পুরুষের সমমর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করাই হল নারীর ক্ষমতায়ন।

নবজাতক ও শিশুর ওরাল থ্রাশ: সচেতনতাই রক্ষাকবচ

 “খোকার ঠোঁটে যে হাসিখানি চমকে ঘুমঘোরে কোন্ দেশে যে জনম তার কে কবে তাহা মোরে।” কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার মতই শিশু রাজ্যের প্রতিটি শিশুর হাসিমাখা উজ্জ্বল মুখ নিতান্তই কাম্য। কিন্তু মাতৃ-পিতৃ হৃদয়ে অত্যন্ত পীড়াদায়ক কিছু ঘটে যখন নিষ্পাপ শিশুর সেই উজ্জ্বল হাসি মলিনতার মাঝে মিশে যায়। জীবাণু বিস্তৃত পৃথিবীতে শিশু হয়ে পড়ে অত্যন্ত অসহায়। পিতা-মাতার চোখের পাতা থেকে সুখ-নিদ্রা দুশ্চিন্তার অদৃশ্য অন্ধকারে হারিয়ে যায়। অথচ সামান্য সচেতনতাই হতে পারে শিশুর হাসি কেড়ে নেয়া এই ওরাল থ্রাশ নামক রোগের উল্লেখযোগ্য সমাধান। ছত্রাক দ্বারা সংঘটিত হয় মুখের এই রোগ। সাধারণত ক্যানডিডা আলবিক্যান্স নামক এক প্রকার ছত্রাকের আক্রমণে ওরাল থ্রাশ হয়। ওরাল থ্রাশ সচরাচর অক্ষতিকর ও ক্ষণস্থায়ী ছত্রাকঘটিত মুখবিবরের সংক্রমণ। এর সংক্রমণের ফলে মুখবিবরের জিহ্বা, ঠোঁট ও গালের অভ্যন্তরভাগ, তালু, আলজিহ্বা, টনসিল ও গলার ভিতরের অংশে ক্রিমের মত সাদা সাদা স্তুপ বা আস্তরণ জমা হয়। ক্রিমের মত স্তুপ বা আস্তরণ তুলে ফেলার পর লালচে ক্ষত সৃষ্টি হয়, আবার কখনো কখনো রক্তপাতও হতে পারে। বয়স্কদের বেলায় জ¦ালাপোড়া ভাব হয়। তবে ওরাল থ্রাশ নবজা...

টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশ

  বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অসমতা, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ বিপর্যয় মোকাবিলা করা এবং শান্তি ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সামাজিক জীবনে টেকসই ভবিষ্যত গঠনের লক্ষ্যে ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে গৃহীত হয় টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি)। টেকসই ভবিষ্যত গঠনে এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিকল্প নেই। তাই এসডিজি বিশ্বব্যাপী  টেকসই ভবিষ্যত অর্জনের ব্লু প্রিন্ট নামে পরিচিত। যে ব্লুপ্রিন্ট বিশে^র দেশসমূহের কাছে মোট ১৭টি অভিষ্ট সমন্বিত একটি দলিল। ২০৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে গৃহীত অভিষ্টগুলো অর্জনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। যা ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে কার্যকর হয়। অত্যন্ত গর্বের বিষয় হলো, মোট ১৭টি অভিষ্টের মধ্যে ১৫টি বাংলাদেশের সুপারিশকৃত প্রস্তাবের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। সঙ্গত কারণেই এসডিজি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশও বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে এসডিজি’র সে গুরুত্বের প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হয়েছে। ক্ষেত্র অনুযায়ী, দেশের এ পর্যন্ত অর্জনগুলো পর্যালোচনা করলে তা সহজেই প্রতিয়মান হয়। দেশে ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে দারিদ্র্যের...